কর্মসূচী সমূহঃ #২৭ শে রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম মাহফিল # ১০ই মাঘ ২৪ জানুয়ারী গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী হযরত মওলানা শাহ্‌ ছুফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (কঃ) এঁর ওরশ শরীফ # ২২ চৈত্র ৫ এপ্রিল গাউছুল আজম বিল বেরাছত কুতুবুল আকতাব হযরত মওলানা শাহ্‌ ছুফী সৈয়দ গোলামুর রহমান প্রকাশ বাবা ভান্ডারী (ক) এঁর ওরশ শরীফ # ২৯ শে আশ্বিন ১৪ অক্টোবর গাউছুল আজম বিল বেরাছত কুতুবুল আকতাব হযরত মওলানা শাহ্‌ ছুফী সৈয়দ গোলামুর রহমান প্রকাশ বাবা ভান্ডারী (ক) এঁর খোশরোজ শরীফ # প্রতি বুধবার বাদ মাগরিব চট্টগ্রাম খুলশীস্থ খানকা শরীফে মিলাদ,তাওয়াল্লোদে গাউছিয়া ও জিকির মাহফিল # প্রতি শুক্রবার বাদ এশা মাইজভান্ডার শরীফে মিলাদ,তাওয়াল্লোদে গাউছিয়া ও জিকির মাহফিল # ১০ই মুহর্‌রম শাহাদাতে কারবালা মাহফিল # আখেরী চাহার সোম্বা উপলক্ষে চট্টগ্রাম খুলশীস্থ খানকা শরীফে খতমে কোরআন ও খতমে বোখারী শরীফ # মাইজভান্ডারী তাসাউফ সংলাপ # বৃক্ষরোপন ও বিতরণ কর্মসূচী # মাইজভান্ডারী সেমিনার। # গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী (কঃ) মেধাবৃত্তি ।

জরুরী বিজ্ঞপ্তি


ওরসে পাকে গাউছে আজম শাহে মাইজভান্ডারকা
আশেকুঁকো শওকছে তশরীফ লানা চাহিয়ে।

অত্র বিজ্ঞপ্তি মূলে অবগত করিতেছি যে,
আসছে ১০ ই মাঘ রোজ শুক্রবার ১৩৮১ বাংলা মোতাবেক ২৪ শে জানুয়ারী সাবেক পদ্ধতীতে গাউছে পাকের পবিত্র স্মৃতি বার্ষিকী ওরস শরীফ হজরত আক্দাছের মাজার শরীফের পাশে-হুজুরা শরীফ গাউছিয়া আহমদীয়া মঞ্জিলের সামনে অনুষ্ঠিত হইবে।

কামেলের মাজার জান সর্ব্বদুঃখ হারি
প্রেমিকের প্রাণে ঢালে শান্তি সূধা বারী

হাফেজ সিরাজীর বাণী-
যেই দরজাটি লোকের হাজত মকছুদ পূরণের মেহরাবে পরিণত, সেই ঘরটি আকর্ষী সরাবের মত জনপ্রিয় কাম্য আকর্ষক এবং পেয়ারা সাব্যস্ত।

পবিত্র মীলাদ শরীফের পরেই – হজরতের নির্দ্দেশিত চট্টগ্রামী দস্তুর মত নেয়াজ (তবরুক) বিতরণ করা হয়। হজরতের ওরস শরীফ বা অনুষ্ঠান – প্রতিষ্ঠানাদির জন্য কারো নিকট থেকে যাঞ্চা,মাগা বা চাওয়ার নিয়ম নাই। স্বতঃ প্রদত্ত শ্রদ্ধা এবং ভক্তি সম্পন্ন হাদীয়াই গ্রহণ করা হয়। যাহা “খাইন” শাসক কর্ত্তৃক পাইকারী মত নহে। যেই সকল ফিকিরবাজ-ফেরকাবাজ ব্যবসা-বুদ্ধি সম্পন্ন লোকেরা এই সকল উদ্দেশ্য দেখাইয়া বিভিন্ন নামে ভুয়া মিথ্যা ঠিকানা প্রকাশে নিজেরা বা স্বার্থপর এজেন্ট দ্বারা রসিদ ইত্যাদি দেখাইয়া টাকা এবং নানা বস্তু উশুল করে , তাহারা হজরতের পুত্র বংশ বা অনুষ্ঠান প্রতিষ্ঠানের মালিক ওয়ারিশ বা সংশ্লিষ্ট মোন্তাজেম লোক নহে।
সকলের অবগতির জন্য ইতিপূর্ব্বে বহুবার দৈনিক পত্রিকা মারফত প্রতিবাদ লিপি প্রকাশ করিয়াছি, এখনো বলিতে চাই যে, গাউছুল আজম মাইজভান্ডারীর বংশধর আওলাদগণ বাড়ী বাড়ী গিয়া ছায়ের ব্যবসা করেনা ,যাহা গাউছিয়ত নীতি বিরুদ্ধ। এই সকল ফিকিরবাজ,শঠ,প্রবঞ্চকগণ হজরতের পুত্র বংশ বা হজরতের নামীয় অনুষ্ঠান প্রতিষ্ঠানাদির মালিক-ওয়ারিশ মোন্তাজেম নহে।

আমার পাঁচ ছেলে (১) সৈয়দ জিয়াউল হক (২) সৈয়দ মুনিরুল হক (৩) সৈয়দ এমদাদুল হক (৪) সৈয়দ দীদারুল হক (৫) সৈয়দ শহীদুল হক –শাহজাদাগণই , গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী মওলানা শাহ ছুফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (কঃ) ছাহেবের এবং আমার পুত্র বংশধর আওলাদ (অলদ) অন্য কেহ নহে।

প্রথম পুত্র সৈয়দ জিয়াউল হককে তাহার অবস্থার প্ররিপ্রেক্ষিতে মসজিদ পুকুরের উত্তরদিকে আমার নিজস্ব বাগান বাড়ীতে পাকা-দালান, “স্যানিটারী ল্যাট্রিন” ইত্যাদির সুব্যবস্থা করিয়া এবং তাহার প্রাপ্য জমি-জমা তুল্লাংশে ভাগ-বন্টন মতে দিয়া পৃথক বসবাসের ব্যবস্থা করিয়া দিয়াছি। এখন তিনি নিজের অবস্থায় প্রতিষ্ঠিত।

দ্বিতীয় পুত্র সৈয়দ মুনিরুল হক (চার্জ্জ) মোন্তাজেম,৩য় পুত্র সৈয়দ এমদাদুল হক সাজ্জাদানশীন ও নায়েব মোন্তাজেম। চতুর্থ পুত্র সৈয়দ দীদারুল হক পঞ্চম পুত্র সৈয়দ শহীদুল হক নায়েব মোন্তাজেম সহ এই চারিজনই মোন্তাজেম হিসাবে গাউছিয়া আহমদীয়া মঞ্জিলে অবস্থান করিতেছে। হজরত আক্‌দাছের আস্তানা পাকের হুজুরা শরীফ –গাউছিয়া আহমদীয়া মঞ্জিল রওজা শরীফ – ওরস শরীফ স্মৃতি জড়িত , অনুষ্ঠান প্রতিষ্ঠানাদির আইন-সঙ্গত এন্তেজামকারী বৈধতামতে মোন্তাজেম জিম্মাদার।

সৈয়দ এমদাদুল হক হানফী মজহাব-সুন্নতে এজমা বিধি ফতওয়ামতে আমার মনোনীত সাজ্জাদানশীন সাব্যস্ত। যাহারা খোদায়ী ফজীলত (শ্রেষ্ঠত্ব) সম্পন্ন ব্যক্তিদের নাম বিক্রি পূর্বক ব্যবসা করে। তাহাদের খপ্পর হইতে রক্ষার মানসে বুজুর্গ –ভক্ত ও খোদা পেয়ারা ব্যক্তিদিগকে সতর্ক করিতেছি। যেহেতু দুর্নীতির প্রশ্রয় প্রদানকারীও দুর্নীতিবাজের সমান। কামেলের অনুষ্ঠান-প্রতিষ্ঠান ও স্মৃতির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বীতা,বিরোধিতা,অবৈধ-বেআইনী ও পাপ।

প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য যে, আমার মেয়েদিগকে তাহাদের উপযোগী জমা-জমি পৃথক দানপত্রমূলে দান করিয়াছি ছুফী সভ্যতা প্রচার “জ্ঞান ভান্ডার” পাঠাগারের জন্য মং ১০,০০০ দশ হাজার টাকা দান করিয়াছি।

এতদ্‌সঙ্গে আমি ঘোষণা করিতেছি যে,আমার অবর্তমানে হজরতের হুজুরা শরীফে আমার গদীর উত্তরাধিকারী বর্তমান নায়েব সাজ্জাদানশীন সৈয়দ এমদাদুল হককে আমি মনোনীত করে আমার স্থলাভিষিক্ত করিলাম। শিক্ষা দীক্ষা শজরা দান এবং ফতুহাত নিয়ন্ত্রণ অধিকার সম্পন্ন , এই গাউছিয়ত জারী –সফলতা দানকারী সাব্যস্ত করিলাম।

ইতি-
খাদেমুল ফোক্‌রা
সৈয়দ দেলাওর হোসাইন মাইজভান্ডারী
সাজ্জাদানশীন-গাউছিয়া আহমদিয়া মঞ্জিল,
চট্টগ্রাম,বাংলাদেশ।

মাইজভান্ডারী তরিকার উসুলে সাবআ বা সপ্ত পদ্ধতিঃ

নফ্‌ছে ইনসানীর কুপ্রবৃত্তি বন্ধ করে রূহে ইনসানীর সুপ্রবৃত্তি জাগ্রত করার জন্য হযরত গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী (কঃ) নির্বিঘ্ন ও সহজসাধ্য মাধ্যম হিসেবে সপ্ত-পদ্ধতির প্রবর্তন করেন। সপ্ত -পদ্ধতি দুই স্তরে অনুশীলিত হয়।

ফানায়ে ছালাছা বা রিপুর ত্রিবিধ বিনাশ স্তরঃ
১। ফানা আনিল খাল্কঃ পরমুখাপেক্ষী না হয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করা।
২। ফানা আনিল হাওয়াঃ অনর্থক কাজকর্ম ও কথাবার্তা হতে বিরত থাকা।
৩। ফানা আনিল এরাদাঃ নিজ ইচ্ছা বাসনাকে খোদার ইচ্ছায় বিলীন করে তাছলিম ও রজা অর্জন করা।

মাউতে আরবা বা প্রবৃত্তির চতুর্বিধ মৃত্যুঃ
১। মউতে আবয়্যাজ বা সাদা মৃত্যুঃ উপবাস ও সংযমের মাধ্যমে অর্জিত এই মৃত্যুতে মানব মনে উজ্জ্বলতা ও আলো দেখা দেয়।
২। মউতে আছওয়াদ বা কালো মৃত্যুঃ সমালোচনায় বিরক্ত বা রাগান্বিত না হয়ে আত্মসমালোচনার মাধ্যমে নিজকে সংশোধনের মনমানসিকতা অর্জনই কালো মৃত্যু।
৩। মউতে আহমর বা লাল মৃত্যুঃ কামস্পৃহা ও লোভ-লালসা হতে মুক্তিতে হাসিল হয়।
৪। মউতে আখজার বা সবুজ মৃত্যুঃ নির্বিলাস জীবন যাপনে অভ্যস্ত হওয়ার মাধ্যমে সবুজ মৃত্যু লাভ হয়।
এই কোরআনী হেদায়তের সপ্তপদ্ধতি ,মানবজীবনের এক নিখুত সহজ, সরল ও স্বাভাবিক পন্থা; যা মানব জীবন পদ্ধতিতে স্বাচ্ছন্দ্য আনয়ন করে।

সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম আলহাজ্ব হযরত মওলানা শাহ্‌ ছুফী সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভান্ডারী (মঃ)-এঁর পরিচালনাধীন সংগঠন ও কর্মসূচী
সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানঃ
  • মাইজভান্ডার ওরশ শরীফ সুপারভিশন কমিটি।
  • খাদেমানে গাউছুল আজম “স্বেচ্ছাসেবক”।
  • আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভান্ডারী (শাহ্‌ এমদাদীয়া)
  • গাউছিয়া আহমদিয়া এমদাদীয়া খেদমত কমিটি
  • মাইজভান্ডারী ফাউন্ডেশন
  • গাউছিয়া আহমদিয়া এমদাদীয়া ওলামা কমিটি
  • মাইজভান্ডারী শাহ্‌ এমদাদীয়া ব্লাড ডোনার্স গ্রুপ
  • মাইজভান্ডারী শাহ্‌ এমদাদীয়া জনসংযোগ ও প্রচার কমিটি
  • মাইজভান্ডারী শাহ্‌ এমদাদীয়া সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কমিটি
  • গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী রিসার্চ ইনস্টিটিউশন
  • মাইজভান্ডারী প্রকাশনী
  • জ্ঞানভান্ডার পাঠাগার
  • মাইজভান্ডার আহমদিয়া এমদাদীয়া মাদ্‌রাসা
  • কর্মসূচীঃ

  • গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী মেধাবৃত্তি
  • দেশের বিভিন্ন স্থানে মসজিদ ও মাদ্‌রাসা
  • বৃক্ষরোপন ও সংরক্ষণ
  • দুস্থদের মধ্যে শীত বস্ত্র বিতরণ
  • চিকিৎসা সেবা
  • ইসলামী সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা
  • সেমিনার ও সেম্পোজিয়াম আয়োজন
  • মেধাবিকাশ কার্যক্রম

খানকায়ে গাউছিয়া আহমদিয়া (মাইজভান্ডারী খানকা শরীফ)

চট্টগ্রামঃ জাকির হোসেন রোড,৬/জি,জাকির হোসেন সোসাইটি,রোড নং-৪,দক্ষিণ খুলশী,চট্টগাম-৪২০০ মোবাইলঃ ০১৭১১-৮১৭২৭৪,ফ্যাক্সঃ ০৩১-২৮৬৭৩৩৮

ঢাকাঃ ১০১,আরামবাগ,ঢাকা। মোবাইলঃ ০১৭১২-৫৪৯১৯৭

সিলেটঃ গ্রামঃআলুতল,ডাকঘরঃইসলামপুর,উপজেলা সদর,সিলেট। মোবাইলঃ ০১৮২৬-০৪৬৫৪৫ , ০১৩১-২৪৬৬৮৫

খুলনাঃ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও জিরো পয়েন্টের উত্তর পার্শ্বে মেইন রোড সংলগ্ন। মোবাইলঃ ০১৮৩০-১৪০৪৩৪

Latest News

আখেরী মোনাজাতে সমাপ্ত মাইজভাণ্ডারের মিলনমেলা

লাখো ভক্তের উপস্থিতিতে আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়েছে মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী হযরত মওলানা শাহছুফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (ক.) প্রকাশ হযরত কেবলার ১১৪তম ওরশ। শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে আখেরী মোনাজাত পরিচালনা করেন গাউছিয়া আহমদিয়া মঞ্জিলের সাজ্জাদানশীন হযরত মওলানা শাহছুফী সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভাণ্ডারী (ম.)। মোনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তিনি।

সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভাণ্ডারী বলেন, ‘অলিগণ রাসূলের প্রতিনিধি। তাদের কারণে ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলাম প্রচার ও প্রসার লাভ করেছে। ইসলামের ক্রান্তি লগ্নে সবসময় ছুফীসাধকরাই ধর্মের আধ্যাত্মিক ও শরীয়তের অবকাঠামোর রক্ষকের ভূমিকায় অবর্তীর্ণ হয়েছেন। ইসলাম ধর্মের প্রচার ও প্রসারের পাশাপাশি ইসলামের মৌলিক আদর্শ ও বিশ্বাসের সাথে সমাজ সংস্কৃতির নৈতিক সংস্কারে আধ্যাত্মিক পূর্ণতা লাভের কারিগর হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি বলেন, ‘গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী শাহছুফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (ক.) মাইজভাণ্ডারী ত্বরিকা প্রবর্তন করেছেন। মাইজভাণ্ডারী ত্বরিকা ইসলামের মৌলিক আদর্শ ও আঞ্চলিক সংস্কৃতির মেলবন্ধনের চূড়ান্ত আধ্যাত্মিক রূপ। এ ত্বরিকার অনুসারীরা ঐশি প্রেমনির্ভর শিক্ষা ও ইসলামী শরীয়তভিত্তিক চর্চায় কার্যকর ভূমিকা রাখছে।’

আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী (শাহ এমদাদীয়া) কেন্দ্রীয় কার্যকরী সংসদের সচিব শেখ মুহাম্মদ আলমগীরের পরিচালনায় ওরশে মিলাদ পরিচালনা করেন দারুত তায়ালীম প্রধান শিক্ষক মওলানা জয়নাল আবেদীন ছিদ্দিকী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক মন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, খান অ্যাগ্রো প্রোডাক্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দুল হক খান, মাইজভাণ্ডারী ফাউন্ডেশনের কো-চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন সৈয়দ সোহেল হাসনাত, জহিরুল ইসলাম চৌধুরী ও সৈয়দ ফজলুল কাদের, আওলাদে গাউছুল আজম সৈয়দ এরহাম হোসাইন ও সৈয়দ মানাওয়ার হোসাইন।

বুধবার (২২ জানুয়ারি) থেকে শুরু হয় তিন দিনব্যাপী ওরশ। ওরশ শরীফে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মাইজভাণ্ডারে এসেছেন আশেক-ভক্তরা। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ওমানসহ নানা দেশ থেকে অসংখ্য ভক্ত-অনুরক্ত এসেছেন এবারের ওরশে। তারা মাজার জেয়ারত, বিশেষ মোনাজাত, জিকির, জিকিরে ছেমাসহ নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সময় পার করেন।

গাউছিয়া আহমদিয়া মঞ্জিলের নায়েব সাজ্জাদানশীন সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভাণ্ডারী (ম.)’র সার্বিক তত্ত্বাবধানে মাইজভাণ্ডার ওরশ শরীফ সুপারভিশন কমিটির বিপুলসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক ও মাইজভাণ্ডারী স্পেশাল ফোর্স (এমএসএফ) দায়িত্ব পালন করেন। সুষ্ঠুভাবে ওরশ সমাপ্ত করতে সহযোগিতা করায় ফটিকছড়ি উপজেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, স্বেচ্ছাসেবকেদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভাণ্ডারী (ম.)।

এছাড়া গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারীর ওরশ উপলক্ষে পৃথক বাণী প্রদান করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Read More News..

‘মাইজভান্ডারী প্রকাশনীর’ প্রকাশিত সুফিতাত্ত্বিক গ্রন্থাবলি

  • হযরত গাউছুল আজম মাইজভান্ডারীর জীবনী ও কেরামত (বাংলা ও ইংরেজী)
  • বেলায়তে মোত্‌লাকা
  • মূলতত্ত্ব বা তজকীয়ায়ে মোখতাছার
  • মিলাদে নববী ও তাওয়াল্লোদে গাউছিয়া
  • বিশ্বমানবতায় বেলায়তের স্বরূপ
  • মানব সভ্যতা
  • মুসলিম আচার ধর্ম
  • আয়নায়ে বারী
  • মাইজভান্ডারী কায়দা
  • রত্ন ভান্ডার (১ম ও ২য় খন্ড)
  • জ্ঞানের আলো (ম্যাগাজিন)
  • আমালে মকবুলীয়া ফি ফয়উজাতে গাউছিয়া
  • তত্ত্বভান্ডার
  • জ্ঞানভান্ডার
  • শানে গাউছে মাইজভান্ডার
Download From here...
গাউছুল আজম হযরত মওলানা শাহ্‌ ছুফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারী (কঃ) –এঁর বাণী

“তাহাজ্জুদের নামাজ পড়,ছালাতু তছবীহের নামাজ পড়িও, কোরান শরীফ তেলাওয়াত করিও।”

“কবুতরের মত বাছিয়া খাও। হারাম খাইও না, নিজ সন্তান সন্ততি নিয়া খোদার প্রশংসা কর ।”

সাজ্জাদানশীনে গাউছুল আজম হযরত সৈয়দ দেলাওর হোসাইন মাইজভান্ডারী (কঃ)-এঁর বাণী

“গাউছে মাইজভান্ডারীর আদর্শ উর্ধে তুলিয়া ধরিলে বিশ্ববাসীর চোখ চট্টগ্রামের মাইজভান্ডার দরবার শরীফের দিকে ঘুরিয়া যাইবে।”

সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম আলহাজ্ব হযরত সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভান্ডারী (মঃ)-এঁর বাণী

“ঈমান ছাড়া এত্তেবা হয়না,এত্তেবা ছাড়া মোত্তাবেয়ীন হওয়া যায়না।”

মনীষীদের মন্তব্যে গাউছুল আজম হযরত সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারীর (কঃ) মাহাত্ম্যঃ

সমসাময়িক ও পরবর্তি ছুফী ওলামায়ে কেরাম তাঁর প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা নিবেদন ও তাঁর গাউছে আজমিয়তের স্বীকৃতি দিয়েছেন-
“গাউছে মাইজভান্ডারীর নিঃশ্বাসের বরকতে পূর্বদেশীয় লোকেরা খোদা পন্থী ,হাল ও জজ্‌বার অধিকারী হয়েছে। তিনি কবরস্থ হওয়ার ফলে বিভিন্ন কবরে উজ্জ্বলতা ও জালালী দেখা দিয়াছে। আহমদ উল্লাহ যিনি, তিনি সমস্ত অলিদের সর্দার যাহার ‘ছিফত’ উপাধি গাউছুল আজম।”-মরহুম মওলানা জুলফিকার আলী সাহেব।

“হযরত শাহ্‌ আহমদ উল্লাহ কাদেরী,যিনি ভূখন্ডের পূর্বাঞ্চলে বিকশিত কুতুবুল আক্‌তাব। তিনি মাইজভান্ডার সিংহাসনে অধিষ্ঠিত গাউছুল আজম নামধারী বাদশাহ।–
রসুলুল্লাহ (সঃ) এঁর নিকট বেলায়তে ওজমা বা শ্রেষ্ঠ বেলায়তের দুইটি সম্মান প্রতীক বা তাজ ছিল। এই সম্মান প্রতীক বা তাজ দুইটির মধ্যে একটি হযরত শাহ্‌ আহমদ উল্লাহ (কঃ) এঁর মস্তক মোবারকে নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠিত।
যেই কারণে তিনি পূর্বাঞ্চলে আবির্ভূত গাউছুল আজম বলিয়া খ্যাত,সেই কারণে তাঁহার রওজা মোবারক মানব-দানবের জন্য খোদায়ী বরকত হাছেলের উৎসে পরিণত হইয়াছে। ”- ,আলহাজ্ব মওলানা ছৈয়দ আজিজুল হক আল কাদেরী ছাহেব (শেরে বাংলা)

Upcoming Events

সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম রাহনুমায়ে শরীয়ত ও ত্বরিকত আলহাজ্ব হজরত মাওলানা শাহ্‌ ছুফী সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভান্ডারী (মঃ) এঁর আয়োজন ও ব্যবস্থাপনায় মাইজভান্ডার দরবার শরীফে ২৭ রবিউল আওয়াল ঈদে মীলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম।

১০ মাঘ ২৪ জানুয়ারী ২০২০ ইং গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী হজরত মাওলানা শাহ্‌ ছুফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (কঃ) এঁর ১১৪তম ওরশ শরীফ।

সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম রাহনুমায়ে শরীয়ত ও পীরে ত্বরিকত হযরত আলহাজ্ব মাওলানা শাহ্‌ ছুফি সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভান্ডারী (মঃ জিঃ আঃ) এঁর ব্যবস্থাপনা ও পৃষ্ঠপোষকতায় ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প।

গাউছিয়ত নীতি

১। তেলাওয়াতে অজুদঃ নির্জন সময়ে গত দিনের ভাল-মন্দ কাজ-কর্মের বিচার ,চিন্তা ও ধ্যানের মাধ্যমে মন্দের জন্য অনুতাপ, অনুশোচনা,ভালোর জন্য নিজ পীরের অনুগত্য এবং খোদার সাহায্য কামনা ,মোনাজাত ,বিনয়ে প্রার্থনা –অনিবার্য। ফলে খোদা পথচারী নাছুত্‌ভাব কামনার উর্ধে ‘লাওয়ামা’ ‘মলকুত’ শক্তি জগতে উত্থিত হইতে সক্ষম হয়। যাহাকে ছুফি পরিভাষায় ‘ফানা আনিল খালক্‌’ বলে।

২। অনর্থ পরিহারঃ যাহা না হইলে চলে ও উপকার বিহীন ,এহেন কাজ-কর্ম,কথাবার্তা,বাক্‌বিতন্ডা ত্যাগ ,পরিহার,এড়াইয়া চলা এবং পরের দোষ তালাস না করা ,পরমুখাপেক্ষীতা ও পরশ্রীকাতরতা – বিমুখ হইয়া ,নিজ শক্তি সামর্থে হালাল রুজির প্রতি আস্থাশীল হওয়া। অপচয় ,অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার-যথাঃপান,বিড়ি-সিগারেট,অলঙ্কার,অঙ্গ বিকৃতকারী পোষাক পরিচ্ছদ,পবিত্র কোরান যাহাকে ‘মর্হান’ অহংকারী ‘ফাখুরাণ’ গর্বকারী বলে নির্দেশ করেছে,যাহা মানবের দৈহিক ,নৈতিক অবনতি ঘটায়, কর্ম বিমুখতা,অভাব অনটন ,আর্থিক দুর্গতি আনয়ন করে। ভূষণ,ফ্যাসন,মোহের ফলে আদি অসভ্যতা ‘পছন্দ’ হইয়া পড়ে। সুতরাং এ সমস্ত পরিহারের ফলে খোদা পথচারী ‘ছালেক’ কোরানের বাণী “মান্নাহান্‌ নাফ্‌ছা আনিল হাওয়া ফাইন্নাল জান্নাতা হিয়াল মাওয়া” মতে নিশ্চিত স্বর্গবাসী, ইহাকে ছুফি পরিভাষায় বলে ‘ফানা আনিল হাওয়া’।

৩। সন্তোষঃ খোদার মঙ্গলদায়ক ইচ্ছা শক্তির নিকট নিজ সংসার স্বার্থ বুদ্ধিকে নত করিয়া মঙ্গলদায়ক রূপের ধ্যানে ‘ছাবের’ ধৈর্যের সহিত অপেক্ষা করা। যেহেতু স্রষ্টা সৃষ্টির রক্ষক,পালক,বর্দ্ধক,মঙ্গলদায়ক। ছুফি পরিভাষায় এই গুনজ প্রকৃতিকে বলে ‘তছলিম’ বা ‘রজা’। এই ত্রিবিধ নীতিমালাই ‘ফানায়ে ছালাছা’ বা বিনাশ পদ্ধতি । যাহা হযরত গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী কেবলার সপ্ত পদ্ধতির অন্তর্গত। প্রথম অংশ ‘এবাদাতে মোত্‌নাফিয়া’ হিসাবে ‘ছালেক’ খোদা পথচারীর জন্য অপরিহার্য। উপরোক্ত গাউছিয়ত নীতিহীন,বিমুখ ব্যক্তির মাইজভান্ডারী তরিকার অনুসারী দাবী করা চলেনা।

বিনীত
খাদেমুল ফোক্‌রা সৈয়দ দেলাওর হোসাইন মাইজভান্ডারী
সাজ্জাদানশীন,গাউছিয়া আহমদিয়া মঞ্জিল,মাইজভান্ডার শরীফ,ফটিকছড়ি,চট্টগ্রাম। সুত্রঃমানব সভ্যতা